বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:১৫ পূর্বাহ্ন

বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন বাগেরহাট জেলা কমিটির পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা
সংবাদ শিরোনাম :
সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় জেলা মহিলা দলের সভাপতি শাহিদা আক্তার পানির অভাবে  বোরো ধানে ব্যাপক ক্ষতি, চরম দুশ্চিন্তায় বাগেরহাট  ও রামপালের কৃষকরা বাগেরহাটে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ভট্ট আবাসন কেন্দ্রে এমপি মনজুরুল হক রাহাদ বৃটেনের কার্ডিফের ইন্টারন্যাশনাল ম্যাদার ল্যাংগুয়েজ মনুমেন্টে  আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত, বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাযা হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়ার আহবান, চুলকাটিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন মিথ্যা অভিযোগ ও অপ-প্রচারের প্রতিবাদে বাগেরহাটে সংবাদ সম্মেলন মোংলা বন্দর পরিদর্শন  সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রী প্রেসক্লাব রামপালের পক্ষ থেকে প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম-কে অভ্যর্থনা নারী আসনে এমপি হতে চান- মিসেস মনিরা ইসলাম মানবিক সেবক শেখ ফরিদুল ইসলাম প্রতিমন্ত্রী (এমপি) হওয়ায় চুলকাটি প্রেসক্লাব শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
মোংলায় শীতকালীন পিঠা উৎসব

মোংলায় শীতকালীন পিঠা উৎসব

মাসুদ রানা, স্টাফ রিপোর্টার (মোংলা)

পৌষ-পার্বণ মানেই বাঙ্গালীর ঘরে ঘরে পিঠা উৎসবের ধুম। ভোজন রসিক বাঙ্গালীর ঐতিহ্যের সাথে যেন মিশে আছে ভাপা, চিতই, পাটিসাপটা সহ নানা পিঠার নাম। জাতীয় নির্বাচন শেষে মোংলায় এবার আনন্দো মুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে পৌষের শেষে শীতকালীন পিঠা উৎসব। দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় হরেক রকমের বাহারি পিঠার উৎসবে। কনকনে শীতে গরম গরম হরেক রকম পিঠার স্বাদ নিতে হিন্দু-মুসলিম ও খ্রীষ্টিয়ান সহ বিভিন্ন ধর্ম বর্ণের নানা বয়সের হাজারো মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।

দ্বিগরাজের বুড়িরডাঙ্গা এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পৌষের শীত আসলেই যেন পিঠার খাওয়ার ধুম পড়ে দেশের গ্রামে গ্রামে। শহুরে জীবনে যেন অনেকটা অপরিচিত এই দৃশ্য। তবে মোংলার বুড়িরডাঙ্গা এলাকাটা যেন এক ভিন্নচিত্র। পৌষের শুরুতেই ঘরে ঘরে পিঠা তৈরী না করে পৌষের শেষে এসে পিঠা উৎসবে আয়োজন করেণ এলাকাবাসী। আর বাঙ্গালির চিরাচরিত এই ঐতিহ্য বর্তমান প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে সকলে মিলে করা হয় জমজমাট পিঠা উৎসব। এ মেলায় গরিব-ধনি, জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ এ উৎসবে মিলিত হয়। তাই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে গত ৭ বছর ধরে পিঠা উৎসব পালন করছে বুড়িরডাঙ্গাবাসী। খাওয়া শেষে কুইজের মাদ্যমে সেরা পিঠা তৈরী নারীদের পুরস্কারও প্রদান করা হবে।
বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের কালী বাড়ী, বৈরাগখালী ও বাটারাবাদ গ্রামের মানুষ এ পিঠা উৎসবের আয়োজন করে। পাচঁ দিন আগ থেকে পিঠা উৎসব পালনের প্রস্তুতি শুরু করে তারা। সোমবার (১৫ জানুয়ারী) ভোর থেকে শুরু হয় পিঠা তৈরীর কাজ। সারিবদ্ধ ভাবে চুলা তৈরী করে গ্রামের বিভিন্ন বয়সের নারীরা পিঠা তৈরীর শুরু করেন। পরে সবাই একাত্রিত ভাবে বসে চলে পিঠা খাওয়ার আয়োজন। মুলত পিঠার সঙ্গে পৌষ সংক্রান্তি শব্দটি অঙ্গাঅঙ্গি ভাবে জড়িত। বিশেষ করে সনাতন ধর্মালম্বীদের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তাই অনেকেই এই দিনের আগে পিঠা খান না, আর তাই সংক্রান্তি পিঠা উৎসবে পরিণত হয়েছে। তবে এখানে সকল ধর্মের বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ আসতে দেখা যায়।পিঠা উৎসব আয়োজক কমিটির আহবায়ক ও বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবু উদয় শংকর বিশ্বাস জানান, গত ৭ বছর পূর্বে থেকে মোংলার বুড়িরডাঙ্গায় এলাকায় পিঠা উৎসবের আয়োজন করে আসছে এলাকাবাসী। প্রতি বছর একটি স্থানে এ আয়োজন সিমাবদ্ধ থাকলেও এবার তিনটি স্থানে এক সাথে পিঠা উৎসব করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ আয়োজন ছড়িয়ে দেওয়া হবে পুরো উপজেলা ব্যাপি বলে জানায় আয়োজক কমিটির আহবায়ক।

শুধু বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের এক সাথে তিনটি স্থানে পিঠা উৎসবটি মোংলা উপজেলার সকল ইউনিয়নে ছড়িয়ে পরুক এমনটাই আশা করছেন এলাকাবাসী।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০ – ২০২৫, www.chulkati24.com

কারিগরি সহায়তায়ঃ-SB Computers